আইফোন ও আইপ্যাড
- 1ক্যারোসেল পোস্টে শেয়ারে চাপ দিয়ে কপি লিংক নিন।
- 2এই পাতার ঘরে লিংকটা পেস্ট করুন।
- 3সব ছবি ডাউনলোড করুন-এ চাপ দিয়ে বান্ডিল তৈরি হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
- 4Files খুলে zip-এ চাপ দিন, iOS সেটা আলাদা ফোল্ডারে খুলে দেয়।
টিকটক ক্যারোসেলের লিংক পেস্ট করলেই সব ছবি একটাই zip ফাইলে পাবেন। অডিওটাও সঙ্গে।
ক্যারোসেল, স্লাইডশো, ছবির পোস্ট: একই জিনিসের তিন নাম, অর্থাৎ দেখার ভিডিও নয় বরং সোয়াইপ করে দেখার কয়েকটা ছবি দিয়ে বানানো টিকটক। নামে অমিল থাকার কারণ, টিকটক নিজেই এই ধরনটাকে কী বলবে তা একাধিকবার বদলেছে।
কাজের দিক থেকে সমস্যাটা যেভাবেই ডাকুন এক। ডাউনলোড বোতাম নেই, আর স্ক্রিনশট দিয়ে সেট সেভ করতে গেলে প্রতিটি ছবি হাতে সোয়াইপ, ক্যাপচার আর ক্রপ করতে হয়। কুড়ি ছবির একটা পোস্ট কয়েক মিনিটের একঘেয়ে কাজ হয়ে দাঁড়ায়, তারপরও হাতে থাকে পর্দার মাপের কপি।
এই পাতা পুরো পোস্টটাকে একটাই জিনিস হিসেবে দেখে। লিংক পেস্ট করুন, ক্যারোসেলের প্রতিটি ছবি আসল ক্রম আর আসল মাপে ফিরে আসে। একটা বোতামেই গোটা সেট zip-এ ঢুকে যায়, তাই চল্লিশ ছবির পোস্ট চল্লিশটা নয়, একটাই ডাউনলোড।
ক্রমটা লোকে যতটা ভাবে তার চেয়ে বেশি জরুরি। ক্যারোসেল প্রায়ই ধারাবাহিক হয়: রেসিপির ধাপ, কমিকের প্যানেল, আগে-পরের ছবি। zip নম্বরগুলো ধরে রাখে, তাই নামানোর পরেও ধারাটা টিকে থাকে।
কেন মানুষ ব্যবহার করে
ভিডিও সেভ করার সময় তিনটি জিনিস গুরুত্বপূর্ণ। তিনটিই আমরা সামলেছি।
টিকটকের লোগো ছাড়া আসল দৃশ্য পাবেন। রিপোস্ট বা সংরক্ষণের জন্য আদর্শ।
পেজটা হালকা, ইনপুট এক ট্যাপ দূরে, আর ফাইল কয়েক সেকেন্ডেই ডাউনলোডে চলে আসে।
ভিডিও থেকে শুধু সাউন্ড নিন আর MP3 হিসেবে সেভ করুন। রিমিক্সের জন্য কাজে লাগে।
কীভাবে কাজ করে
টিকটক অ্যাপ বা tiktok.com খুলুন, ভিডিওর শেয়ারে ট্যাপ করুন, তারপর কপি লিংক।
ওপরের ইনপুট ফিল্ডে লিংকটা ছেড়ে দিন। আমরা যাচাই করব এটা সত্যিকারের টিকটক URL কিনা।
HD ভিডিও বা MP3 অডিও বেছে নিন আর ফাইল সেভ করুন। ব্যস এটুকুই।
পোস্টপ্রতি একটা ফাইল, প্রতিবারই একইভাবে বানানো।
| বৈশিষ্ট্য | মান | মানে কী |
|---|---|---|
| যেসব ছবি থাকে | পোস্টের সব ছবি | টিকটকের ৩৫ ছবির সীমা পর্যন্ত কিছুই বাদ পড়ে না বা বেছে নেওয়া হয় না। |
| ক্রম | আসল ধারা | ফাইলে নম্বর বসে, তাই ধাপে ধাপে দেওয়া পোস্টও ঠিক ক্রমেই পড়া যায়। |
| রেজোলিউশন | যেমন আপলোড হয়েছিল | পূর্ণ মাপ, পর্দায় আঁটাতে কখনো ছোট করা হয় না। |
| ফরম্যাট | zip-এর ভেতর JPG | উইন্ডোজ, macOS, iOS আর অ্যান্ড্রয়েডের নিজস্ব টুল দিয়েই খোলে। |
| অডিও | আলাদা MP3 | ইচ্ছে করেই zip-এর বাইরে রাখা, যাতে শব্দটা একা নিতে পারেন। |
| খরচ | ফ্রি | অ্যাকাউন্ট লাগে না, আর ছবি যতগুলোই থাক পোস্টপ্রতি কোনো খরচ নেই। |
একটা লিংক ঢোকে, একটা zip বেরোয়। প্ল্যাটফর্মভেদে আলাদা শুধু খোলার ধাপটুকু।
মূল্যটা আলগা ছবিতে নয়, গোটা সেটটাকে একসঙ্গে ধরে রাখায়।
রেসিপি, টিউটোরিয়াল আর ব্যায়ামের পরিকল্পনা সাধারণত ক্রম মেনে সেট আকারে পোস্ট হয়। এক এক করে স্ক্রিনশট নিলে কোনো না কোনো সময় ক্রম গুলিয়ে যায়। zip-এ যায় না।
অ্যাকাউন্ট আটকে গেলে বা পোস্ট সরিয়ে দিলে নির্মাতারাও নিজেদের কাজে ঢুকতে পারেন না। নিজের ক্যারোসেলগুলো zip হিসেবে নামিয়ে রাখলে এমন ব্যাকআপ থাকে যা প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্ভর করে না।
কমিকের প্যানেল, পোশাকের বিশ্লেষণ, আগে-পরের সিরিজ: এগুলো দল হিসেবেই অর্থ বহন করে। একসঙ্গে বেঁধে রাখলে ছবির পাশাপাশি প্রসঙ্গটাও টিকে থাকে।
ক্যারোসেল — যা photo post বা slideshow নামেও পরিচিত — হলো একটাই ভিডিও না, বরং একাধিক ছবি দিয়ে তৈরি টিকটক পোস্ট।
ওপরে পোস্টের লিংক পেস্ট করুন। প্রতিটি ছবি গ্রিডে দেখাব এবং পুরো সেট বান্ডেল করতে "সব ডাউনলোড" বাটন থাকবে।
হ্যাঁ। zip এ প্রতিটা ছবি আসল ক্রমে এবং পুরো কোয়ালিটিতে থাকে।
না। অডিও আমরা আলাদা MP3 বাটনে দিই যাতে zip না খুলেই আলাদা সেভ করতে পারেন।
ভিন্ন অ্যাপ ভিন্ন নাম ব্যবহার করে। ডেটা একই: একাধিক ছবি দিয়ে তৈরি একটা টিকটক পোস্ট।
পোস্টে যতগুলো আছে সবগুলোই। টিকটক ক্যারোসেলে ৩৫টি ছবির সীমা রাখে, আর zip পুরো সেটটাই সামলায়।
zip বানানোর আগে সব ছবি নামিয়ে আনি, তাই অপেক্ষার সময় ছবির সংখ্যার সঙ্গে বাড়ে। বড় সেটে একটা ভিডিওর চেয়ে কয়েক সেকেন্ড বেশি লাগে।
যাবে। গ্রিডের প্রতিটি ছবির নিজস্ব সেভ বোতাম আছে, তাই zip না ছুঁয়েও একটা নিতে পারবেন।
হ্যাঁ। প্রতিটি ফাইলে পোস্টের ভেতরের অবস্থান অনুযায়ী নম্বর বসে, তাই ধারাবাহিক বিষয়বস্তু খোলার পরেও ঠিকভাবেই পড়া যায়।
না। শুধু পাবলিক পোস্টই আনা যায়। লগআউট করা ব্রাউজারে লিংক না খুললে এখানেও কাজ করবে না।
না। zip-এ শুধু ছবিগুলোই থাকে। ক্যাপশন দরকার হলে নামানোর আগে পোস্ট থেকে কপি করে রাখুন।